
অন্নপূর্ণা দেবী ফাউন্ডেশন- এর উদ্যোগে ভারতীয় ডাক বিভাগ থেকে প্রকাশিত হল বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী অন্নপূর্ণা দেবীর স্পেশাল কভার, কলকাতা জিপিও-তে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিত্যানন্দ হলদিপুর, বসন্ত কাবরা, সুকৃতি গুপ্ত, ডাইরেক্টর পোস্টাল সার্ভিসেস, কলকাতা রিজিয়ন। সুরবাহার শিল্পী অন্নপূর্ণা দেবীর জন্মশতবর্ষে এ এক বিশেষ স্মরণ বলে জানান উদ্যোক্তারা।

অন্নপূর্ণা দেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ৬,৭,৮ মার্চ বিশেষ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় জি.ডি.বিড়লা সভাঘরে। বিভিন্ন ঘরানা এবং শৈলীর প্রতিনিধিত্বকারী শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পীরা যন্ত্র সঙ্গীত ও কন্ঠ সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে অন্নপূর্ণা দেবীকে স্মরণ করলেন।

শুধুমাত্র বিখ্যাত উস্তাদদের নয়, বরং স্বল্প পরিচিত কিন্তু ব্যতিক্রমী প্রতিভাদের সামনে নিয়ে আসার কাজে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উদ্যোক্তারা।
অন্নপূর্ণা দেবীর বাবা উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ। উস্তাদ আলি আকবর খাঁয়ের বোন তিনি। অন্নপূর্ণা ছিলেন মাইহার ঘরানার শিল্পী। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছাত্ররা হলেন পন্ডিত নিখিল ব্যানার্জি, পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, আশিস খান, দক্ষিণা মোহন ঠাকুর, বসন্ত কাবরা, সুধীর ফাডকে, নিত্যানন্দ হলদিপুর প্রমুখ। মুসলিম পরিবারে জন্ম হলেও, মাইহার স্টেটের মহারাজা ব্রীজনাথ সিং এর দেওয়া 'অন্নপূর্ণা' নামেই পরিচিত হন
তিনি ।


প্রথম দিন পন্ডিত মিলিন্দ রাইকার ( বেহালা ), বিদূষী শুভ্রা গুহ ( কন্ঠ সঙ্গীত ), দ্বিতীয় দিনে পন্ডিত শান্তনু ভট্টাচার্য ( কন্ঠ সঙ্গীত ), পন্ডিত বসন্ত কাবরা ( সরোদ ), তৃতীয় দিনে পন্ডিত রাজেন্দ্র প্রসন্ন ও রীতেশ প্রসন্ন ( বাঁশি), বিদূষী অশ্বিনী ভিডে দেশপান্ডে ( কন্ঠ সঙ্গীত) - এই সম্মেলন সুরে, সুরে ভরিয়ে তুললেন।
সংস্থার পক্ষে নিত্যানন্দ হলদিপুর জানালেন, 'ডাক বিভাগের এই সম্মান এই উদ্যোগে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।'
তথ্য সৌজন্যে: দ্য ড্রিমার্স