সম্পাদকীয়
১৫ মে, ২০২৬
রাজ্য রাজনীতিতে বিরাট পালাবদল হল। বছরের শুরু থেকেই আস্তে আস্তে পারদ চড়ছিল। ১৫ মার্চ ভোটের দিন ঘোষণার পর একলাফে হাই ভোল্টেজ ড্রামার যবনিকা উঠল। এবার যেহেতু এস আই আর-এর কল্যাণে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ছিল একেবারে আলাদা, তাই প্রচারের সুরও ছিল অন্য তারে বাঁধা।
ভোটার তালিকা থেকে ৯১ লক্ষ নাম বাদ যাওয়া, শেষ পর্যন্ত প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের ভোট দিতে না পারা, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ক্ষোভের আগুন, তার মধ্যেই বিজেপি হাইকম্যান্ডের ওজনদার নেতাদের বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি, অন্যদিকে তৃণমূল সুপ্রিমোর গরমাগরম বক্তৃতা আর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের জনসভায় উঁচু গলার হুমকি- সব মিলিয়ে জমজমাট ছিল ভোটের বাজার।
তার ওপর নির্বাচন কমিশনের রক্তচক্ষু আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাপাদাপিতে মনে হচ্ছিল সত্যিই রণক্ষেত্র পশ্চিমবঙ্গ। অনেকেই ভাবছিলেন, সাধারণ ভোটার বিভ্রান্ত। তাই তাবড় ভোট বিশেষজ্ঞরাও এবার পূর্বাভাস দিতে ইতস্তত করেছেন। কিন্তু যখন ফল বেরোল, বোঝা গেল মানুষ আদৌ বিভ্রান্ত নন, বরং ভোটদাতারা এবার সত্যিই পরিবর্তন চেয়েছেন। বিজেপিকে সমর্থন থেকেও এই জনাদেশ বেশি করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আশা করি এর থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন সরকার জনগণের প্রত্যাশাকে অগ্রাধিকার দেবে।
আমাদের বিশেষ কিছু প্রকল্প