তালিকা
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
দশভুজা বাঙালির আলোয় উজ্জ্বল এক সন্ধ্যা

দশভুজা বলতে আমরা বুঝি মা দুর্গাকে। কিন্তু দশভুজা বাঙালি পুরস্কার শুরুর পর আরও বিস্তার পেয়েছে কথাটি। নারী- পুরুষ, জাত-ধর্ম নির্বিশেষে যে বাঙালি দেশে, সমাজে, মানুষের জীবনে উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন, তিনিই দশভুজা।

প্রতি বছর ভাষা দিবসে এই পুরস্কারে কৃতী মানুষদের সম্মানিত করে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ ও তার প্রাক্তনী সংসদ, সহায়তায় কলেজের ঐতিহ্যবাহী বঙ্গ সাহিত্য সমিতি। এবছর একুশে ফেব্রুয়ারি ব্যতিক্রম নয়।

ছাত্রছাত্রীদের নাচ আর তারপর সঞ্চালক অগ্নীশ্বরের সঙ্গে খ্যাতির আলোয় অবগাহন। যে মঞ্চে একসঙ্গে পুরস্কৃত হন প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অরূপ রাহা আর কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী হৈমন্তী শুক্লা, মোহনবাগান অধিনায়ক শুভাশিস বসু আর বাংলা ছবির সিক্স প্যাক নায়ক টোটা রায়চৌধুরী,‌ সে মঞ্চ তো এমনিই আলোকিত।

মিশনারি কলেজের সাহেবিয়ানার অপবাদ ঘোচাতে যে কতখানি আন্তরিক অধ্যক্ষ ফাদার ডমিনিক স্যাভিও, তাঁর বাংলা ভাষণই তার প্রমাণ। প্রথমেই মরণোত্তর দশভুজা বাঙালি পুরস্কারে যাঁকে সম্মানিত করা হল, তিনি বিশ্ব ভারতীর সঙ্গীত শিক্ষক বিজয় সিংহ। তাঁর স্বজনেরা এসেছিলেন পুরস্কার নিতে। এছাড়া পুরস্কৃত হলেন বিজ্ঞানী শান্তা দত্ত, চিত্র পরিচালক অভিজিৎ সেন, সমাজসেবী কল্লোল ঘোষ, অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলি, শেয়ার বিশেষজ্ঞ ও একদা সোনার কেল্লার তোপসে সিদ্ধার্থ চ্যাটার্জি।

যদিও অরূপ রাহা মজা করে বললেন,‌ 'বক্তৃতা দেওয়ার থেকে অপারেশন সিঁদুর করতে বললে সোজা হত', আসলে কিন্তু সব প্রাপকই তাঁর নিজস্ব ভাষায়, স্বকীয় ভঙ্গিতে প্রাণিত করলেন হলভর্তি দর্শককে। দেখালেন সাফল্যের দিশা।


Scroll to Top