তালিকা
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
সম্পাদকীয় — জুলাই, ২০২৫

খুব লজ্জা হচ্ছে এই সম্পাদকীয় লিখতে!

আমাদের প্রাণের বাংলায়, প্রিয় কলকাতায় পরপর যেসব ঘৃণ্য ঘটনা ঘটে চলেছে, পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মুখ দেখাব কীভাবে? পরিবার থেকে প্রশাসন, এ সবার ব্যর্থতা। এ পৃথিবীকে শিশু, কিশোরী, তরুণী, কারো বাসযোগ্যই করতে পারিনি আমরা। বাড়ির উঠোন, শিক্ষাঙ্গন, কর্মস্থল, কোথাও নিরাপদ নয় মেয়েরা!

অতীতের ঘটনাপ্রবাহ বাদই দিলাম। গত একবছরের কথাও যদি বলি, আর জি কর থেকে কালীগঞ্জ হয়ে কসবা ল কলেজ -- ধর্ষণ, খুন, নির্যাতনের সালতামামি। তাও তো শুধু সেই ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করলাম, যেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে আলোড়ন ফেলেছে বৃহত্তর সমাজে, ঝড় তুলেছে প্রতিবাদের। তার অর্থ তো এই নয় যে, এর বাইরে ঘটে চলা অজস্র দুষ্কর্ম কম নিন্দনীয়।

এই কালো ছবিতে আরও কালি ছেটানোর কাজ দায়িত্ব নিয়ে করে চলেছেন রাজনৈতিক নেতারা। কখনও চরম উদাসীনতায়, কখনও সাক্ষ্যপ্রমাণ লোপাটের চতুরতায়, কখনও দায় চাপানোর খেলায়, আবার কখনও বা কুমন্তব্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতায় তাঁরা জনগণকে বিস্মিত, বিভ্রান্ত, বিরক্ত করেই চলেছেন।

আমরা হতবাক হয়ে দেখেছিলাম কীভাবে তিলোত্তমা কাণ্ডে কেঁচো খুঁড়তে দুর্নীতির কেউটে বেরিয়ে এল। ল কলেজের ঘটনাতেও তাই। সামনে এল কলেজে কলেজে রাজনীতির ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা সর্বব্যপী গুণ্ডারাজ। গত দশ মাসে বারবার মিডিয়া থেকে সাধারণ মানুষ, গলা তুলেছেন দ্রোহের স্লোগানে। কিন্তু এতটুকু কি নাড়ানো গেছে অচলায়তন? প্রশ্ন একটাই -- আর কত? কোথায় এর শেষ? সীমারেখাটা কোন জাদুতে অস্পষ্ট করে রেখেছে স্বার্থান্বেষীরা?





Scroll to Top