সম্পাদকীয়
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
SIR, বাংলায় বলতে গেলে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন ঘিরে উত্তাল পশ্চিমবঙ্গ। ভোটের মুখে এমন একটি ইস্যু পেয়ে জমে উঠেছে রাজনীতির খেলা। 'কাজের চাপে' বিভ্রান্ত বিএলও-দের আর 'নাগরিকত্ব হারানোর' আতঙ্কে সাধারণ মানুষের আত্মহত্যার ধারাবাহিকতা অস্ত্র তুলে দিয়েছে কেন্দ্রবিরোধীদের হাতে। বিশেষ করে তৃণমূল একে মোদি সরকারের জনবিরোধী নীতি আখ্যা দিয়ে আন্দোলনে নেমেছে।
গত কয়েকমাসের ঘটনাপ্রবাহে নাটকীয় মোড় এসেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দিল্লি অভিযানে। একাধিক দক্ষ আইনজীবী থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজে কেন সওয়াল করছেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন খোদ বিচারক। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিলো দ্য বেল্ট হিট করতেও ছাড়েননি মমতার ইংরেজি বলা নিয়ে কটাক্ষ করে। এই পরিস্থিতি থেকে কোন পক্ষ কতখানি ফায়দা তুলল, তার কতটা প্রভাব পড়বে ভোট বাক্সে, সেই হিসেব করার সময় এখনও আসেনি।
তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে, দীর্ঘদিন পর মমতা ব্যানার্জিকে সেই অতীত দিনের মত জ্বলে উঠতে দেখে চমকিত হয়েছে মানুষ। যেন বাম আমলের সেই বিরোধী নেত্রী - এই মহাকরণে ধর্নায় বসে পড়ছেন তো ঐ সিঙ্গুরে অনশন। 'মানুষের কাছাকাছি' যে ইমেজের কাছে পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছিল 'মানুষের থেকে দূরে চলে যাওয়া' বামফ্রন্টকে। কিন্তু এর থেকে বিশাল অক্সিজেন পেল তৃণমূল, তা ভাবাটা ভুল। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কথায় 'Power corrupts'. ২০১১ থেকে এত বছর শাসকের চেয়ারে থেকে স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল বহু দোষে দুষ্ট। বিরক্ত মানুষ হন্যে হয়ে খুঁজছেন বিকল্প। এটা মাথায় রেখে ভোটযুদ্ধে নামতে হবে মমতা ব্যানার্জি অ্যান্ড কোম্পানিকে।
আমাদের বিশেষ কিছু উদ্যোগ