
৯ এপ্রিল এক দফায় ভোট আসামে। শেষ মুহূর্তের প্রচারেও শর্মা ও গগৈ পরিবারের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি অব্যাহত। কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরার বিরুদ্ধে হিমন্ত-পত্নী রিনিকি ভুঁইয়া এফ আই আর করায় ইতিমধ্যেই পবনের দিল্লির বাড়িতে পুলিশ গেছিল। তবে তিনি না থাকায় কথা হয়নি। সাংবাদিক সম্মেলন করে পবন অভিযোগ এনেছিলেন আসামের মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর তিন বিদেশী রাষ্ট্রের পাসপোর্ট আছে, যা বেআইনী। পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, খেরার পেশ করা নথিপত্র ভুয়ো, পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপের সরবরাহ করা।
তাঁর আরও অভিযোগ, গত দশদিনে পাকিস্তানি মিডিয়ায় এমন অনেক টক শো প্রচারিত হয়েছে যাতে বলা হয়েছে, আসামে কংগ্রেসের জেতা উচিত। প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের মুখ গৌরব গগৈর ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথের বিরুদ্ধে আই এস আই যোগাযোগের অভিযোগ আগেই তুলেছে বিজেপি। আসামে ভোট প্রচারে গিয়ে রাহুল গান্ধী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর প্রতিক্রিয়ায় হিমন্ত রাহুলকে বলেছেন 'রেজিস্টার্ড পাগল'। নরেন্দ্র মোদি আসামে প্রচার সভায় টেনে এনেছেন সেই পরিবার প্রসঙ্গ। বলেছেন, কংগ্রেসে দুটো ভ্রষ্ট পরিবার রাজ করছে। দিল্লিতে শাহী পরিবার অর্থাৎ গান্ধী পরিবার আর আসামে গগৈ পরিবার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই তরজা প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, দুই পরিবারের পরস্পরের বিরুদ্ধে এইসব দুর্নীতির অভিযোগ পুরনো। তাহলে এতদিনে তদন্ত হল না কেন? ভোটের মুখে এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে হারিয়ে গেল গুরুত্বপূর্ণ সব রাজনৈতিক বা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইস্যু।