তালিকা
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
   ‘বিকশিত ভারত’-এর রোডম্যাপ

              

       

স্বাধীনতার পর থেকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ছিল শ্লথ। তা জোরদার হয় ১৯৯১ সাল থেকে, অর্থমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর হাত ধরে। বললেন ডঃ রাকেশ মোহন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য। শুক্রবার ক্যালকাটা চেম্বার অফ কমার্স -এর উদ্যোগে 'বিকশিত ভারত' শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তা ছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্ন ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত কীভাবে সম্ভব, তার একটি রূপরেখা দেওয়ার চেষ্টা করেন ডঃ মোহন। ভারতে উৎপাদন শিল্পের তুলনায় পরিষেবা শিল্প অনেক বেড়ে ওঠায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তবে তাঁর মতে, গত কয়েক দশকে পরিকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে ভারত। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে আরো বিনিয়োগ প্রয়োজন। দরকার বেকারত্ব কমানো। আর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়ছে, সঞ্চয়ের হার কমছে। শহরাঞ্চলে কমছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। সরকারকে কীভাবে আরো দক্ষ করে তোলা যায়, সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রথমেই জানালেন, অন্য দেশের তুলনায় সংসদে কাজের দিন খুব কম। বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা ও প্রয়োজনের তুলনায় আমলার সংখ্যা কম হওয়ার অভিযোগও করলেন। তবে তাঁর আশা, ২০৭০ সালের মধ্যে জিডিপির নিরিখে ভারত 'জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন' নেবে।

প্রশ্নোত্তর পর্ব সঞ্চালনা করেন রাজ কুমার ছাজের। উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের প্রেসিডেন্ট হরি শঙ্কর হালওয়াসিয়া, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অনন্ত সাহরিয়া ও অন্যান্য সদস্যরা।


Scroll to Top