
কোজিকোড শহর হল কেরালা নির্বাচনের হৃৎপিণ্ড। স্বভাবতই সমস্ত রাজনৈতিক দলের চোখ তাই এবার কোজিকোড জেলার উপরে। কোজিকোড কেরালার তৃতীয় বৃহত্তম শহর। কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্যে নাম্বার ওয়ান। মালাবার রিজিয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জেলা এই কোজিকোড। তাই সমস্ত রাজনৈতিক দলের চোখ এবার কোজিকোড দখলের দিকে। গত পরশু এলডিএফ এর পলিটব্যুরো নেতা বিজু কৃষ্ণান এখানে এক জনসভা করে গেছেন। তার দুদিন আগে রাহুল গান্ধীর জন্য কোজিকোডের সমুদ্র তীরে প্রচুর মানুষ অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু মা সনিয়ার অসুস্থতার জন্য রাহুল সেদিন আসতে পারেননি। ভিডিওতে জনসাধারণকে সম্বোধন করে তিনি বার্তা পাঠিয়েছিলেন। তাতেই সবাই খুশি।
সকালে নির্বাচনের আগের শেষ রবিবারে হাই ভোল্টেজ নেতাদের সকলেই উপস্থিত। একদিকে অমিত শাহর বিশাল রোড শো। মানুষের উচ্ছ্বাস উদ্দীপনার শেষ নেই। অন্যদিকে ইউডিএফ -এর কান্ডারী শশী থারুরের প্রার্থীকে নিয়ে জনসংযোগ যাত্রা ।
কেরলে লক্ষ্য করছি রোড শো এবং জনসংযোগ যাত্রাই যেন এবার একটু বেশি। নির্বাচনী জনসভা কম। শশী থারুর এরই মধ্যে ৫৩ টি কেন্দ্র কভার করে ফেলেছেন। কংগ্রেসের কাছে এটা একটা বিরাট পাওনা বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শশীকে নিয়ে কিছুদিন আগে পর্যন্ত আলাপ আলোচনা কথাবার্তার যেন শেষ ছিল না। কেরলে খানিকটা একলাই হয়ে গেছিলেন শশী। এখন এসে দেখছি ছবিটা অনেকটাই বদলেছে।
কোজিকোডে সর্বমোট ১৩ টি আসন। এরমধ্যে ২০২১ এর নির্বাচনে এলডিএফ পেয়েছিল নটা। এবার এলডিএফ -এর আধিপত্য খর্ব করতে ইউডিএফ বিরাট ভাবে নেমেছে। প্রচুর প্রতিশ্রুতি তাদের ঝুলিতে। তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হল পরিবহন। সারা কেরলে মেয়েদের বিনামূল্যে বাস যাত্রা বিরাট সুযোগ। এছাড়া অন্যান্য অনেক কিছু তো আছেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহকে এনে এনডিএ-র তরফে বিজেপি খানিকটা হাওয়া তুললেও এখনো মূল লড়াই কিন্তু সেই ইউ ডি এফ আর এলডিএফ -এর মধ্যেই।