তালিকা
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
মায়ানমারে ভোট আসছে, প্রশ্ন অনেক

ভারতের পাঁচ রাজ্যে ভোট নিয়ে যেমন, তেমনই দুই প্রতিবেশী দেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়েও আগ্রহ সব স্তরে। ২০২৬ -এর ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচন। অন্যদিকে মায়ানমারের সামরিক শাসকদের তরফে এবছর ২৮ শে ডিসেম্বর ও আগামী বছর ৪ ঠা জানুয়ারি ভোটের দিন ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান আন সান সু চিকে অপসারণের পর শাসনভার হাতে তুলে নেয় সেনাবাহিনী। তারপর এই প্রথম ভোট হচ্ছে। ফলে সারা পৃথিবীর চোখ সাবেক বর্মা মুলুক অর্থাৎ আজকের মায়ানমারের দিকে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে যথেষ্ট চাপ থাকা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট মিং অং লাইং বারবার সাধারণ নির্বাচন পিছিয়ে দিয়েছেন দেশব্যাপী হিংসাত্মক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। মিলিটারি ক্যুর পর থেকে বেশ কয়েকবার দেশে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ২০২৩ সালে নির্বাচন আইন সংশোধন করে রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বিধি আরও কড়া করা হয়। যেসব নেতার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলছে, তাঁরা ভোটে লড়তে পারবেন না। বলা বাহুল্য, এর মধ্যে সু চি সহ আরও বেশ কজন রয়েছেন। নোবেলজয়ী এই নেত্রী বর্তমানে গৃহবন্দী। রাজধানী নেপিদোর ঠিক কোথায় তাঁকে রাখা হয়েছে, সেবিষয়ে কোনও ধারনা নেই জনসাধারণের। সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি সঙ্গে সঙ্গে জানিয়েছিল, তারা নতুন আইন মানবে না। তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে গেছিল। দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দল শান ন্যাশনালিস্ট লিগ ফর ডেমোক্রেসি জানিয়েছিল, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। রইল বাকি সেনা ঘনিষ্ঠ ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি। ফলে আসন্ন নির্বাচন কতটা অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। যেমনটা আছে ভারতের নিকটতম প্রতিবেশী বাংলাদেশকে নিয়েও।

জুলাই মাসে ইয়াঙ্গনে গিয়ে কৌতূহলবশত লোকজনের সঙ্গে তাঁদের দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। বেশিরভাগেরই মুখে কুলুপ। ভোট নিয়েও বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করলাম না। বরং দেশে গণতন্ত্র ফেরানোর ব্যাপারে জিজ্ঞাসু মানুষ।


Scroll to Top