তালিকা
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন
আধুনিক বাঙালির ফেভারিট লোকেশন

April 2025



অসমের প্রাণবন্ত নববর্ষ উৎসব সমান্তরালতা
লাউ, বেগুন ইত্যাদি তাজা-তাজা শাকসব্জি খেয়ে তুই দিন দিন বড় হয়ে ওঠ। তোর মা- বাবা ছোট ছোট, কিন্তু তুই বড় গরু হবি।
রমজান, বোহরী মহল্লা আর আমি
নূর মোহাম্মদীর চিকেন সনজুবাবা (যার রেসিপি নাকি স্বয়ং সঞ্জয় দত্তের দেওয়া) খেয়ে বেশ হতাশ হয়েছিলাম।
দিল্লিতে পয়লা বৈশাখ
চিত্তরঞ্জন পার্কের ৭ থেকে ৮ হাজার বাঙালি পয়লা বৈশাখের প্রথম প্রভাতে সূর্য-অর্ঘ্য দিয়ে দিনটাকে স্বাগত জানান।
ঢাকার রাজপথে রঙিন জনস্রোত
বিশাল বিশাল কাট আউট নিয়ে এগোচ্ছেন ছাত্রছাত্রী আর অধ্যাপকের দল। পেঁচা, হাতপাখা, বাঘ, মুখোশ, রণপা — রাজপথ ঝলমলিয়ে উঠেছে।
বাঙালির নতুন বছর
হালখাতা আজও হয়, পয়লা বৈশাখ সেজেগুজে আসে আজও, কিন্তু কোথায় যেন হারিয়ে গেছে সেই সেদিনকার টান বা আকর্ষণ।
পয়লা বোশেখ
মৃত্যুর ছবিতে লোকে প্রোফাইল অনুসরণের অনুরোধ রাখছে – প্রিয়জনের শবের সঙ্গে সেলফি পোস্ট করছে- শ্মশান থেকে চলছে লাইভ।
নববর্ষের সেকাল-একাল
সোনাগাছির কমন পিপলস্ সিম্পটম কিন্তু দুটো শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও একই আছে। নেই শুধু বাবু কালচারের সেই আদি রূপ।
বাংলা নববর্ষ নিয়ে সামান্য কথা
পান্তাভাত খাওয়ার একটা প্রচলন ঢাকায়, কলকাতায় আছে। এর মূলে আছে কৃষকদের আমানি খাওয়ার প্রথা।
বাংলা নববর্ষ উদযাপন বদলে গেছে আমূল
পয়লা বৈশাখ আগে বাংলা ছবিও মুক্তি পেত। মিনার - বিজলী - ছবিঘর কিংবা শ্রী - প্রাচী - ইন্দিরা মুখরিত হত। আজ আর সেই দিন নেই।
নববর্ষ : সেদিন এদিন
নতুন বছর শুরুর আগে বাড়িতে আসত একটি মোটা মতন লালচে রংয়ের বই। নাম শুনতাম পাঁজি। তাতে খুব রহস্যময় ভাষায় নাকি দিনক্ষণের সব বিবরণ থাকত।
শোলা : ওজনে হালকা, ঐতিহ্যে ভারী
অনেকে বিশ্বাস করেন মালাকাররা দেবতা বিশ্বকর্মা এবং শাপভ্রষ্ট গোপ কন্যা ঘৃতাচীর সন্তান। অন্য আরেকটা মতে, মালাকাররা ব্রাহ্মণ।
নববর্ষে চিত্তে গমন করুন
বিগত যৌবন ও যৌবনা কিছু পুরুষ এবং নারী একঘেয়েমির ফাটা রেকর্ড বাজিয়ে-বাজিয়ে বর্ষবরণ এবং বন্দনা করেন।
[1] [2]

Scroll to Top